কর্মস্পৃহা কমিয়ে দেয়া ১০ বদভ্যাস

কাজকর্মে উৎপাদনশীল হয়ে ওঠা সহজ কাজ নয়। এটি নির্ভর করে আপনি কিভাবে কাজ করতে চান এবং কর্মদক্ষ হয়ে ওঠার পেছনে আপনার আগ্রহ কেমন তার ওপর। অনেক সময় ইচ্ছা সঠিক পথে থাকলেও নানা বাজে অভ্যাস বাধা হয়ে দাঁড়াবে। এখানে দেখে নিন এমনই ১০টি বাজে অভ্যাসের কথা, যা কর্মক্ষেত্রে আপনার উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেবে। লিখেছেন শরিফুল হক
অনিয়ন্ত্রিত ওয়েব ব্রাউজিং
কাজের সময় হঠাৎ করে অনলাইনে গিয়ে সেখানেই মনপ্রাণ ঢেলে দেয়া খুব বাজে অভ্যাস। যে কাজে ওয়েবে যেতে হবে, সেখানে তা সেরে নিয়ে আবার কাজে ফিরে আসুন। ওয়েবে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিয়ে মূল কাজে ফিরে না এসে সেখানেই বহু সময় নষ্ট করার ফল হাতেনাতে পাবেন।
বিশেষ নিয়ম গড়ে তোলার চেষ্টা
নিজের উন্নতির লক্ষ্যে অনেকেই বিশেষ কিছু নিয়ম-কানুন গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। এটা অনেক সময়ই ইচ্ছা বা ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে যায়। এর পরিবর্তে বরং নিজের পরিচয় এবং বৈশিষ্ট্যের পথে এগিয়ে যান। আপনি যেমন তেমন হয়েই বিশেষ কিছু অর্জনের চেষ্টা করুন।
গুরুত্বপূর্ণ কাজ অন্য সময়ের জন্য ফেলে রাখা
অনেকেই সহজ কাজ দিয়ে দিন শুরু করেন। অন্যান্য কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরে করবেন বলে ফেলে রাখেন। এতে জটিল কাজ আরো কুটিল হয়ে ওঠে। আর দিনের শেষে ওই কাজগুলোই শেষ করা সম্ভব হয় না। তাই এই অভ্যাস ত্যাগ করুন।
বেশি বেশি মিটিংয়ে দৌড়ানো
কাজের ক্ষেত্রে মনোযোগ ব্যাপকহারে কমে যায় যখন আপনি ঘন ঘন মিটিংয়ের জন্য দৌড়াবেন। ছোটখাটো অপ্রয়োজনীয় মিটিং পরিহার করুন। এগুলো ই-মেইল, ম্যাসেঞ্জার বা চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে শেষ করার চেষ্টা করুন।
একযোগে একাধিক কাজ করা
অনেকেই দ্রুত করতে গিয়ে কয়েকটি কাজ একযোগে শুরু করেন। এতে কাজের কাজ কিছুই হয় না। মানুষ একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুটো কাজ করতে পারে। তাই বহু কাজ একবারে না করার চেষ্টা করে একটি একটি বেছে নিন।
গুরুত্ব অনুযায়ী কাজের তালিকা তৈরিতে ব্যর্থ হওয়া
মানুষের জীবনে নানা লক্ষ্য ও সে অনুযায়ী কাজের গুরুত্ব ওঠা-নামা করতে পারে। এজন্য গুরুত্বের ভিত্তিতে কাজগুলোকে তালিকাবদ্ধ করতে হবে। এটি না বুঝলে আপনি প্রয়োজনীয় কাজ ঠিকমতো সারতে পারবেন না। কাজে সফলতার জন্য অতি জরুরিগুলো আর সম্পন্ন হবে না কখনো।
অ্যালার্মের স্নুজ বোতামে চাপ দেয়া
ঘুম থেকে সময়মতো জেগে ওঠার জন্য অনেকেই অ্যালার্ম দিয়ে রাখেন। কিন্তু তা বেজে উঠলেই আরো ৫-১০ মিনিট ঝিমিয়ে নিতে স্নুজ বোতামে চাপ দেন। এতে করে সময়ের অপচয় ঘটে, কাজে যেতে দেরি হয়ে যায় এবং অবশেষে হতাশা ভর করে।
অতিরিক্ত পরিকল্পনা করা
অনেক মানুষই সফলতা অর্জনের জন্য একের পর এক পরিকল্পনা করে যান। আর তা করতে গিয়ে সময়ের অপচয়সহ গোটা কাজের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়। তাই বেশি বেশি চিন্তাভাবনা না করে একটি অব্যর্থ পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যান।
কাজ পরিকল্পনার মাঝে রাখা
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিকল্পনার মাঝে থাকাটা সব পরিস্থিতিতে ভালো নয়। এতে কাজে আর এগোনো যায় না এবং অগ্রগতি থমকে যায়। কারণ এতে কোনো পরিস্থিতিকে কাজের জন্য অনুকূল বলে মনে হবে না। অবশেষে হতাশা ভর করবে।
বিছানায় নানা কাজে ব্যস্ততা
বিছানায় রাত জেগে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ বা ট্যাব চালানো ঘুম নষ্টের অন্যতম কারণ। এসব প্রযুক্তিপণ্যে এক ধরনের বিশেষ আলো থাকে, যাকে বলা হয় ‘ব্লু লাইট’।
এটি মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে, যা ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দেয়। তাই বিছানায় শোয়ার পর এসব নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন।-বর্ণ
ডেস্ক -বর্ণ

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Easterns 154/10 & 184/10 v Namibia 122/3 & 128/10 *

KwaZulu-Natal 140/10 & 158/4 * v North West 188/10 & 135/10

West Indies A 137/10 v Sri Lanka A 294/10 & 213/6 *

Hong Kong 142/10 v Afghanistan 270/2 *

Mis Ainak Region 167/10 v Band-e-Amir Region 202/3 *

Speen Ghar Region 311/2 * v Amo Region

Bangladesh A v Ireland A

Western Australia v South Australia

Zimbabwe v West Indies

Limpopo Women v Easterns Women

South Western Districts Women v Eastern Province Women