‘বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের টয়লেটে গোপন ভিডিও ও চাকরিচ্যুত ৩’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ

গত ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে কয়েকটি সংবাদ-মাধ্যমে ‘বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের টয়লেটে গোপন ভিডিও’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) শামীম আহসান পারভেজ পাঠানো ঐ প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, রিপোর্টটি সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অল্পসময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষাকার্যক্রমে গুণ ও মানে আশাতীত সাফল্য অর্জন করেছে এবং কর্তৃপক্ষ এই অগ্রসরমানতা অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট রয়েছে। এতে করে স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার প্রয়াস চালাচ্ছে বলে কর্তৃপক্ষ মনে করে। কর্তৃপক্ষ এ-ধরনের ন্যাক্কারজনক খবর ও প্রচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছে এবং এ প্রসঙ্গে প্রকৃত সত্য ও বক্তব্য তুলে ধরছে :
১. শিরোনামের তথ্যটি মিথ্যা। টয়লেটে এ-ধরনের কোনো ঘটনা আদৌও ঘটে নি। কাজেই এরূপ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার কারণে ৩ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে কথাটিও সত্য নয়। কথিত তিন জনের অন্যতম ঝাড়–দার নারীকর্মী এখনও এখানে কর্মরত। আর সর্বশেষ দুই জন প্রহরীকে গত এপ্রিল-মে মাসে তার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ প্রত্যাহার করেছে দায়িত্বে অবহেলার কারণে যার সঙ্গে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের সম্পৃক্ততা নেই। উল্লেখ্য, নিরাপত্তা প্রহরায় বিশ্ববিদ্যালয় একটি সিকিউরিটি কোম্পানির সেবা নিয়ে থাকে।
২. রিপোর্টে বলা হয়েছে গত মাসের প্রথমদিকে এ-ধরনের ঘটনা ঘটেছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও কল্পনাপ্রসূত। গত মাসে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিচ্যুতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। আর সেকারণে এরূপ ঘটনা কর্তৃপক্ষের ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করার প্রশ্নই আসে না।
৩. প্রকাশিত খবরে যে নৈশ প্রহরীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তিনি গত মাসে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন না। উল্লেখ্য যে, নৈশ প্রহরীগণ রাত্রি ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ঐ সময়ে কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় না বিধায় নৈশ প্রহরী কর্তৃক ছবি তোলার প্রশ্নই উঠে না।
৪. এই খবরের সঙ্গে কোনো কোনো অনলাইন নিউজ পোর্টালে কিছু ছবি প্রকাশিত হয়েছে যা কোনোভাবেই বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ধারণকৃত নয়। ছবির ভবন, দরজা-জানালা ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ কোনোভাবেই বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত অবকাঠামোর সঙ্গে মেলে না। কর্তৃপক্ষ মনে করে, বস্তুনিষ্ঠতার মূলনীতি পাশ কাটিয়ে সস্তা আকর্ষণ তৈরি করতে এধরনের চটকদার ছবি ও খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
বরং, প্রকৃত ঘটনাটি এইরূপ : গত ২৭ এপ্রিল সকাল ৭টার দিকে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কমনরুমে একটি মুঠোফোন পাওয়া যায়। যা একজন নৈশ প্রহরী ভুলবশত রেখে গেছে বলে স্বীকার করে। উক্ত মুঠোফোনটি পরীক্ষা করে কোনো ছবি/ভিডিও পাওয়া যায় নি। এরপরেও বিশ্ববিদ্যালয় তার জবাবে সন্তুষ্ট না হয়ে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটি কোম্পানিকে অবহিত করে। এর ফলে কোম্পানি তাকে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে এবং ছাত্রীদের কমনরূমে মহিলা কর্মচারী নিয়োজিত আছে। কর্তৃপক্ষ আশা করে এ ধরনের ভিত্তিহীন ও বানোয়াট খবর প্রকাশ থেকে সবধরনের গণমাধ্যম বিরত থাকবে।
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে এই অঞ্চলসহ সারাদেশে মানসম্পন্ন শিক্ষাবিস্তারে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা এই কর্মপ্রয়াসে গণমাধ্যমসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রত্যাশা করি।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Derbyshire 265/10 & 333/3 v Middlesex 157/10 & 340/10 *

Gloucestershire 236/10 & 372/10 v Glamorgan 85/4 & 526/9 *

Leicestershire 422/9 v Sussex 241/4 & 438/8 *

Surrey 211/10 & 407/9 v Hampshire 332/10 & 147/10 *

Yorkshire 334/10 & 256/10 v Nottinghamshire 188/10 & 238/10 *

Dambulla 43 & 359/10 * v Colombo 210/10 & 351/10

Galle 298/7 & 425/10 * v Kandy 185/10

Amo Region 178/10 & 188/10 v Mis Ainak Region 91/9 & 127/6 *

Kabul Region 229/6 * v Band-e-Amir Region 474/10

Speen Ghar Region 282/10 v Boost Region 284/6 & 121/10 *

Maldives 105/7 * v Qatar 149/7

Bahrain 98/8 * v United Arab Emirates 149/9

Kuwait 92/10 v Saudi Arabia 96/3 *

Delhi Daredevils 139/8 * v Kings XI Punjab 143/8

East Zone (Bangladesh) v Central Zone (Bangladesh)

North Zone (Bangladesh) v South Zone (Bangladesh)

Mumbai Indians v Sunrisers Hyderabad