রুয়েট ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ উদ্ধার

অপহরণের ১৪ দিন পর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহাগকে চট্টগ্রামের মীরসরাই এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সোহাগের বাবা আক্কাসুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে যানান, মীরসরাই এলাকায় সোহাগের থাকার তথ্যটি নিশ্চিত হয়ে তারা ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
সোহাগের শ্বশুর রেজাউর রহমান দুলাল জানান, মোবাইলে আজ ভোরে তারা জানতে পারেন সোহাগ চট্টগ্রামের মীরসরাই এলাকায় পাওয়া গেছে। এরপর ঢাকা থেকে কয়েকজন আত্মীয় গিয়ে সোহাগের অবস্থান নিশ্চিত করেন। সকালে তিনি, সোহাগের বাবা ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা তাকে উদ্ধারে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওণা দিয়েছেন।
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানও চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওণা দিয়েছেন। তাকে হাতে পাওয়ার পর কে বা কারা, কেনই বা তাকে অপহরণ করেছে সেই তথ্য বেরিয়ে আসবে।
এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর রাত ৩টার দিকে র‌্যাবের পোশাকধারী ছয়-সাত জন তেরখাদিয়া পশ্চিমপাড়ায় সোহাগের বাড়িতে যান। র‌্যাবের পোশাক পরা দেখে বাড়ির লোকজন দরজা খুলে দিলে তারা সোহাগের ঘরে ঢুকে ল্যাপটপ ও মোবাইলের মেমোরি কার্ডসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস চায়। সেগুলো নেওয়ার পরই তারা সোহাগকে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে চলে যায়। এরপর সোহাগের বাবা ও শ্বশুর র‌্যাব রাজশাহীর সদর দফতর, বোয়ালিয়া থানা, ডিবি পুলিশ ও মতিহার থানায় খোঁজ নিয়ে কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে রাজপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন সোহাগের বাবা। ১৩ ডিসেম্বর রাতে নগরীর রাজপাড়া থানায় সোহাগের বাবা আক্কাসউজ্জামান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা র‌্যাব ও ডিবি পুলিশ এবং সোহাগের সহপাঠী নাবিলাকে আসামি করা হয়। ২০ ডিসেম্বর পুলিশ এ মামলায় ঢাকার দক্ষিণখান থানার ফাইজবাদ এলাকার আব্দুল আউয়াল খানের ছেলে ও রুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ার ফারজাদুল ইসলাম মিরন এবং রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়ার শওকত আলীর ছেলে ও রুয়েটের সিভিল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ইসফাক ইয়াসিফ ইপুকে আটক করে পরের দিন আদালত তাদের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।#

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

E

h

E

h